Halloween Costume ideas 2015

সোনারগাঁও দর্পণ

সর্বশেষ পোস্ট
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ : 

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিবাদমান দুই গ্রুপের সংঘর্ষে কমপক্ষে ১২ জন আহত হয়েছে। সংঘর্ষের সময় বেশ কয়েকটি বসতবাড়িতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের পর সে সকল বাড়ি-ঘর থেকে নগদ টাকা, স্বর্ণালংকার এবং মোবাইল ফোনসহ গুরুত্বপূর্ণ জিনিসপত্র লুটপাটের অভিযোগ উঠেছে। 

বৃহস্পতিবার ঘটানো একটি ঘটনার সূত্র ধরে শুক্রবার (২৬ জুন) সকালে উপজেলা পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচানী এলাকায় বিবাদমান হামিদ গ্রুপের সাথে ছোট কোরবানপুর গ্রামের চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী রাসেল গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ ও লুটপাটের এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পর এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের মাধ্যমে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে বলে পুলিশ দাবি করেছে।  

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা পিরোজপুর ইউনিয়নের বিবাদমান ছোট কুরবানপুর গ্রামের মাদক ব্যবসায়ী ও সন্ত্রাসী রাসেল গ্রুপের সাথে পাঁচআনী এলাকার হামিদ গ্রুপের প্রভাব বিস্তারকে কেন্দ্র করে বিরোধ চলে আসছিল। 

এরই ধারাবাহিকতায় বৃহস্পতিবার রাতে উভয় পক্ষের সমর্থকদের মধ্যে কথা-কাটাকাটির মধ্যে ইউনিয়নের খাসেরগাঁও এলাকায় সাবেক মেম্বার মনির হোসেনের ভাতিজার ছেলে ও রাসেল গ্রুপের সদস্য সোহাগ নামে একজনকে কুপিয়ে আহত করে হামিদ গ্রুপের লোকজন। এরই জের ধরে শুক্রবার ভোরে রাসেলের নেতৃত্বে ৪০ থেকে ৫০ জনের একটি দল পাঁচানী এলাকার বিভিন্ন বাড়ি-ঘরে হামলা চালায়। 


হামলাকারীরা পাঁচআনী গ্রামের এনামুল হকের বাড়িতে হামলা ভাঙচুর চালিয়ে দুটি গরু, নগদ আড়াই লাখ টাকা, তিনটি মোবাইল ফোন, প্রায় দুই ভরি স্বর্ণ ও ১৫ ভরি রুপা লুট করে নিয়ে যায়। 

এছাড়া, হাবিবুল্লাহ ওরফে হাবু মিয়ার বাড়ি থেকে মসজিদের ১৭ হাজার টাকা, ব্যক্তিগত সাত হাজার টাকা এবং একটি মোবাইল ফোন লুট করে নিয়ে যায় রাসেল গ্রুপের লোকজন। এছাড়া স্থানীয় আমান উল্লাহর বাড়িতে ভাংচুর চালায় এবং মনি ও দিদারের বাড়ি থেকে দুটি গরু নিয়ে যায় এবং বাড়ির সামনে থাকা খড়ের পালায় আগুন দেয়।

এতেও ক্ষ্যান্ত হয়নি রাসেল গ্রুপ। তারা ধারালো অস্ত্র দিয়ে ঘরের টিনের বেড়া কেটে ঘরে থাকা আসবাবপত্র ব্যাপক ভাংচুর করে। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি স্বাভাবিক আছে। উভয় পক্ষের কেউ এখন পর্যন্ত লিখিত অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সোনারগাঁও দর্পণ :

সনাতনধর্মাবলম্বীদের অন্যতম প্রার্থনাস্থল শিবমন্দিরে দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটেছে। নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মোগরাপাড়া ইউনিয়নের মোগরাপাড়া বাজারের পাশে অবস্থিত শ্রী শ্রী গৌড় নিতাই আখড়ার শিবমন্দিরে বুধবার দিবাগত মধ্যরাতের পর কোন এক সময় চুরির ঘটনাটি ঘটে। 

মন্দির সংশ্লিষ্টদের দাবি, বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক ২টা ৩০ মিনিট থেকে তিনটার মধ্যে  লোডশেডিং চলাকালীন সময় চুরির ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে। সকালে মন্দিরের পুরোহিত এসে চুরি হয়েছে বুঝতে পেরে সংশ্লিষ্টদের জানায়। চোর মন্দিরের তালা ভেঙ্গে মন্দিরে থাকা ঘন্টা, শঙ্খ, রুদ্রাক্ষমালা ২টা, স্বর্ণের চাঁদ ১টা সিসি ক্যামেরাসহ পুজোর বিভিন্ন সরঞ্জাম নিয়ে যায়। তবে চোর একটি চাবি ছড়া রেখে গেছে বলে জানান মন্দিরের সদস্যরা।

খবর পেয়ে মন্দির পরিচালনা কমিটির সদস্যরা ঘটনাস্থলে যান। পরবর্তীতে নারায়ণগঞ্জ জেলা সনাতনধর্মাবলম্বী সংগঠনের নেতা এবং সোনারগাঁও থানা পুলিশ এসে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে তাদেরকে নানা বিষয়ে আশ্বস্ত করেন।

তবে, বাহ্যিক দৃষ্টিতে ঘটনাটি চুরি মনে হলেও স্থানীয় সনাতন ধর্মাবলম্বী এবং মন্দির সংশ্লিষ্টদের দাবি,  ঘটনাটি দুর্বৃত্তদের বড় কোন অপরাধের আগাম বার্তা হতে পারে। জানান, অনেক বছর আগে এই মন্দিরটিতে দুর্বৃত্তরা দুর্গাপুজোতে আগুন দেয়। এরপর থেকে মন্দিরের সভাপতি শ্রী লোকনাথ দত্ত দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে অনাকাঙ্খিত আর কোন ঘটনা ঘটেনি। 

গত ২১ জুন সোনারগাঁও উপজেলা পুজা উদযাপন কমিটি ও শ্রী শ্রী গৌড় নিতাই আখড়ার সভাপতি লোকনাথ দত্ত পরলোক গমনের তিন দিনের মধ্যে এ ঘটনাটিকে সহজভাবে নিচ্ছেন না তারা। বলছেন তারা আতঙ্কিত। হয়তো এই চুরির মাধ্যমে দুর্বৃত্তরা লোকনাথ দত্তের অনুপস্থিতিতে মন্দির কমিটির অবস্থান নিশ্চিত হয়ে বড় কোন অপরাধ সংগঠনের প্রস্তুতির আগাম বার্তা দিচ্ছে। তাই অনাকাঙ্ক্ষিত কোন ঘটনার আগেই সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটনের দাবি জানান মন্দির কমিটির সদস্যরা।




সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ের ঐতিহ্যবাহী ও একমাত্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় যেন দুর্নীতির আঁতুর ঘরে পরিণত হয়েছে। গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর “সোনারগাঁও দর্পণ” এর অনলাইন পোর্টাল এবং ফেসবুক পেজে ‘শিক্ষা মানোন্নয়ন নয়, নিজের উন্নয়নে ব্যস্ত প্রধান শিক্ষক’ শিরোনামে ভার্চূয়ালসহ প্রতিবেদন প্রকাশ ও প্রচার করা হয়।

প্রতিবেদনটি প্রচার ও প্রকাশের পর কিছুদিন দুর্নীতির সাথে সংশ্লিষ্টরা দুর্নীতি থেকে বিরত থাকলেও আবারও পূর্বের চেয়ে অধিক হারে দুর্নীতি গ্রস্থ হয়ে পরেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করে।

নাম প্রকাশে একাধিক অভিভাবক জানায়, সরকারি হিসেবে প্রতি মাসে বেতন বাবদ ১২টা সরকারি ফি নির্ধারণ থাকলেও প্রতি তিন মাস অন্তর শিক্ষার্থী প্রতি আদায় করা হচ্ছে ৭৫০ টাকা। এছাড়াও বছরের বিভিন্ন সময় অভিভাবকদের নানা খাত দেখিয়ে আদায় করা হয় অতিরিক্ত অর্থ। 

অভিভাবকরা জানান, ২০২৫ সালের ২১ সেপ্টেম্বর বিসিএস শিক্ষা প্রশাসনের মো: শাহ আলম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পাওয়ার পর থেকে নিজেকে সর্বেসর্বা'র আসনে বসিয়ে সরকারি নিয়ম- নীতির তোয়াক্কা না করে এ সকল অনৈতিক কর্মকাণ্ড করে যাচ্ছেন। ঐতিহ্যবাহী এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে ১৭শ শিক্ষার্থীর কাছ থেকেই আদায় করছেন এ বাড়তি ফি। 

যদিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রধান শিক্ষক বাড়তি টাকা আদায়ের কারণ হিসেবে শিক্ষক কম থাকার কথা জানিয়ে বেশি টাকা নেওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন। তবে অভিভাবকদের দাবি, প্রতিষ্ঠানটিতে ১৭শ শিক্ষার্থী থাকলেও প্রধান শিক্ষক মাত্র ১৩/১৪ জন অভিভাবকের সাথে কথা বলে তাদের স্বাক্ষর নিয়ে খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ এবং তাদের খরচের জন্য অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার বিষয় জানান। পরবর্তীতে উপস্থিত অভিভাবকদের মধ্যে মাত্র ৪জন অভিভাবকের সম্মতিসূচক স্বাক্ষর নিয়ে পুরোপুরি অনৈতিকভাবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার সিদ্ধান্ত পুরো সতেরশ অভিভাবকের ঘাড়ে চাঁপিয়ে দেন। 

অভিযোগ রয়েছে, খণ্ডকালীন শিক্ষক হিসেবে যারা নিয়োগ পেয়েছেন তাদের মধ্যে স্বজনপ্রীতির মাধ্যমে নিয়োগ হয়েছে বেশিরভাগ শিক্ষকের। যাদের নেওয়া হয়েছে তাদের কোনো ধরনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষা ছাড়াই প্রতিষ্ঠানটিতে চাকুরি করেন এমন শিক্ষকদের স্ত্রী, মেয়ে, ছেলের বউসহ নিকট আত্মীয়দের নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

অভিযোগ রয়েছে, টিফিন বাবদ প্রতি মাসে ১০০ টাকা নেওয়া হলেও প্রতিদিন টিফিন সরবরাহ করা হয় না। আর টিফিন বাবদ যে সকল খাবার পরিবেশন করা হয় তা খুবই নিন্ম মানের ও অস্বাস্থ্যকর। 

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক অভিভাবক ও শিক্ষার্থী জানায়, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির দফতরি কাম অফিস সহায়ক জামান মিয়া প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষকের সহায়তায় কক্ষ দখল করে টিফিন বিক্রির নামে ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন। যেখানে শিক্ষার্থীদের কাছে অস্বাস্থ্যকর তেলে ভাজা জাতীয় খাবারের পাশাপাশি নিন্মমানের বেকারি পণ্য বিক্রি করেন। এমনকি শিক্ষার্থীদের যে টিফিন দেওয়া হয়, সে টিফিনও জামানের কাছ থেকে ক্রয় করা হয়। যে লাভ হয় সে লাভের একটা অংশ দেওয়া স্কুলের দুর্নীতির সহায়ক প্রধান শিক্ষক, সহকারি শিক্ষক সুধাংসু সিন্ডিকেটকে। জামানের ব্যবসা চালানোর ব্যবহৃত বিদ্যুৎ বিলও দেওয়া হয় প্রতিষ্ঠান থেকে।

এছাড়াও কম্পিউটার ল্যাব ফি বাবদ শিক্ষার্থী প্রতি ১৫০ টাকা আদায় করা হলেও নিয়মিত কম্পিউটার ক্লাস করানো হয়না। অপরদিকে, ম্যাগাজিন ফি, উন্নয়ন ফিসহ বিভিন্ন খাতে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ নেওয়া হয় বলেও অভিযোগ করেন অভিভাবকরা।

তবে সরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খণ্ডকালীন শিক্ষকদের বেতন পরিশোধের জন্য শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে এভাবে অতিরিক্ত অর্থ আদায় কতটা বৈধ, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সচেতন মহল। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানিয়েছেন অভিভাবকরা। তাদের দাবি, স্থানীয়ভাবে যাদের এ সকল বিষয় তদারকি করার কথা তারা অজ্ঞাত কারণে সঠিক তদন্ত থেকে পিছিয়ে থাকেন। সম্ভবত সর্ষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে আছে। তাই তারা বিভাগীয় তদন্তের দাবি জানান।

এ বিষয়ে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহ আলম বলেন, “শিক্ষক সংকটের কারণে বেশ কয়েকজন খণ্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগ দিতে হয়েছে। আমি আসার পরও তিন জনকে নিয়োগ দিয়েছি। শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে যে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হয় সে টাকা খন্ডকালীন শিক্ষকদের বেতন দেওয়া হয় বলে দাবি করেন। 

তিনি বলেন, যদি অভিভাবকরা মনে করেন খন্ডকালীন শিক্ষক প্রয়োজন নাই তাহলে খন্ডকালীন শিক্ষকদের যে একশত টাকা নেওয়া হয় সেই টাকা নেওয়া হবেনা। আর এ স্কুলে ঠিক মতো পাঠ দান করাতে ৪৫ জন শিক্ষক প্রয়োজন, যেখানে আছে মাত্র ৯ জন। সে ক্ষেত্রে স্কুলের লেখাপড়া না হলে আমার কোন দায় থাকবেনা।

তবে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দাবি, খন্ডকালীন শিক্ষক নিয়োগের কথা বলে অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ সরকারি বিধি মোতাবেক অবৈধ। প্রধান শিক্ষক এমনটা করতে পারেন না। যদি করে থাকেন, তাহলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

নারায়ণগঞ্জ -৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সাংসদ আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে ও জেলা যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সজিবকে আপাতত মুক্তি দিয়েছে ডিএমপি ডিবি। সারারাত ডিবি কার্যালয়ে রাখার পর তার এক ঘনিষ্ট স্বজনের জিম্মায় তাকে সোমবার (২২ জুন) সকালে মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের একটি সূত্র জানায়, সজিবের বিরুদ্ধে দেশের একটি গ্রুপ অব কোম্পানীতে দাবি করা চাঁদা না পেয়ে ওই কোম্পানীর পণ্যের গাড়ি আটকে রাখাসহ ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জে চাঁদাবাজির বেশ কয়েকটি সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল। সে সকল অভিযোগে ভিত্তিতে গতকাল (রবিবার) সন্ধ্যায় তাকে ডিএমপি ডিবিতে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আনা হয়। আজ সকালে তার এক ঘনিষ্ট আত্মীয়ের জিম্মায় মুচলেকা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়। 

ডিএমপির অপর একটি সূত্র জানায়, সজিবকে সকালে নয়, রাতেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

এরআগে রোববার পুলিশ সদর দপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলামের ছেলে খাইরুল ইসলামকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নারায়ণগঞ্জ ডিবি পুলিশ কার্যালয়ে আনে। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে মিন্টো রোড ডিএমপির ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়।

এমন খবরের পর জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, “নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সজিবকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার কোন অপকর্মের দায় দল নিবেনা।

সজিবের বাবা আজহারুল ইসলাম মান্নান নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিগঞ্জ) আসনের বিএনপি দলীয় এমপি এবং থানা বিএনপির সভাপতি। 

এরআগে, রবিবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ ডিএমপি ডিবির সহায়তায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিজ বাড়ি থেকে দুপুরে আটক করা হয়। সেখান থেকে বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশের হেফাজতে আনা হয়। পরে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডিএমডি ডিবি তাকে পূণরায় ডিএমপিতে নিয়ে যায়। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

এমপি মান্নানের ছেলে ও নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সজিবকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে করা চাঁদাবাজিসহ নানা অভিযোগের প্রাথমিক তদন্তে সত্যতা পাওয়ায় যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাকে দল এ বহিস্কার করেন।

জাতীয়তাবাদী যুবদলের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুল ইসলাম নয়ন এমপি স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানাগেছে, “নানা অনিয়মে জড়িত থাকার সুস্পষ্ট অভিযোগে নারায়ণগঞ্জ জেলা যুবদলের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক খায়রুল ইসলাম সজিবকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ দল থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। 

বহিস্কৃতদের কোন অপকর্মের দায় দল নিবেনা। সেই সাথে যুবদলের সকল পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের তাদের সাথে সম্পর্ক না রাখারও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।



সোনারগাঁও দর্পণ :

নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে ও জেলা যুবদল নেতা খায়রুল ইসলাম সজিবকে আটক করেছে জেলা পুলিশ। রবিবার (২১ জুন) বিকাল ৪টার দিকে রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে আটক করা হয়। 

আটকের পর এক সংক্ষিপ্ত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) তারেক আল মেহেদী।

তিনি আরও জানান, আটককরা সজিবের বিরুদ্ধে সোনারগাঁও এবং রাজধানীতে চাঁদাবাজীসহ বেশকিছু লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। মুলত অভিযোগগুলোর সত্যতা যাচাইয়ে তদন্তের স্বার্থে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে আটক করা হয়েছে।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) জানান, ডিএমপি ডিবি পুলিশের সহায়তায় রাজধানীর বসুন্ধরা আবাসিক এলাকা থেকে বিকাল ৪টার দিকে তাকে আটক করা হয়েছে। ব্যাপক তদন্তের জন্য তাকে আপাতত পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে।



 মানবিক আবেদন


শরীরের কিডনির দুটি বাল্বই নষ্ট হয়ে গেছে খাদিজার। দুই সন্তানের এ জননীকে বাঁচিয়ে রাখতে অন্তত একটি বাল্ব স্থাপনে ৪/৫ লাখ টাকার প্রয়োজন। যা তার ভাড়ায় অটোচালক স্বামী সোহেলের পক্ষে জোগাড় করা অসম্ভব। তাই দেশবাসীর কাছে সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েছেন। তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউট এর কার্ডিওলজি বিভাগের চিকিৎসক ডা: অধ্যাপক একেএম মনোয়ারুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসাধীন। খাদিজার মাত্র দেড় মাস আগে তার একটি পুত্র সন্তানের জন্ম হয়েছে। ছোট শিশুটির কথা চিন্তা করলেও তার বেঁচে থাকা দরকার।

খাদিজার ঠিকানা : গ্রাম - ষোলপাড়া, ইউনিয়ন - মোগরাপাড়া, থানা - সোনারগাঁও, জেলা - নারায়ণগঞ্জ

বিকাশ এবং নগদ নাম্বার - ০১৯২৯-৭০৫৪০১


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget