Halloween Costume ideas 2015

সোনারগাঁও দর্পণ

সর্বশেষ পোস্ট
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা প্রশাসন ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ে সংঘবদ্ধ ডাকাতদলের হামলায় বাড়ির কর্তা নজরুল ইসলাম (৫০) নিহত হয়েছেন। ডাকাতদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মুমুর্ষ অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন নজরুলের স্ত্রী শাহনাজ বেগম (৪০)। বুধবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের মুক্তিশপুর গ্রামে ডাকাতি ও হতাহতের ঘটনা ঘটে। নিহত নজরুল একই এলাকার নিহত গাজী মিস্ত্রির ছেলে।

ডাকাতির ঘটনায় জড়িত ৫জনের মধ্যে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা তিনজনকে চিনতে পেরেছেন বলে পুলিশের কাছে জানান তারা। এরমধ্যে উজ্জল নামে এক জনকে আটক করেছে পুলিশ। আটক হওয়া উজ্জল একই এলাকার হাশেমের ছেলে। একই এলাকার ভাড়টিয়া ছইক্কার ছেলে দেলোয়ার এবং নিহতের আত্মীয় (মামাতো ভাই) নুর মোহাম্মদনের ছেলে আরাফাত নামে অপর একজনকে ধরতে পুলিশের অভিযান অব্যাহত আছে। 

স্থানীয় সূত্রে জানাগেছে, নজরুল ইসলাম পেশায় একজন সুতা ব্যবসায়ী। বুধবার দিবাগত রাত আনুমানিক আড়াইটার দিকে নজরুলের বাড়িতে অজ্ঞাত ব্যক্তি নজরুলের নাম ধরে ডাকেন এবং দরজা খুলতে বলেন। গ্রামের পরিচিত কেউ ভেবে দরজা খুলে দেন নজরুলের স্ত্রী শাহনাজ। পরক্ষণেই মুখোশ পরা দেশীয় অস্ত্র হাতে ৫-৭ জনের একদল ডাকাত নজরুল ও তার পরিবারের উপর হামলা চালায়।

আহত শাহনাজের বরাত দিয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক এলাকাবাসীর ভাষ্য মতে, দেশীয় অস্ত্র হাতে ডাকাতরা ঘরে প্রবেশ করেই নজরুল ও তার স্ত্রীর হাত-পা রশি দিয়ে বেঁধে নির্যাতন করে বাঁলিশ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে। বাঁলিশ চাপা ও শারীরিক নির্যাতনে শাহনাজ ইচ্ছাকৃতভাবে মরে যাওয়ার ভান করলে নজরুল ডাকাতদের চিনেছে, সকালে তাদের দেখে নিবে বলে হুমকি দেয়। এদিকে, ডাকাতদের ধস্তাধস্তিতে শাহনাজকে বাঁধ দেওয়া রশি (দড়ি)’র বাঁধ কিছুটা নড়বড়ে হয়ে যায়। তারপরও ইচ্ছাকৃতভাবে অচেতন হয়ে পড়ে থাকে।

এদিকে, ডাকাতদের এমন হুমকির পরই ডাকাতরা নজরুলকে নির্যাতন করে। তাদের মধ্যে দুই-একজন ঘরের চাবির সন্ধান করে চাবি নিয়ে ঘর থেকে স্বর্ণ, নগদ টাকা ও মোবাইল সেট নিয়ে যায়। তথ্যদাতার ভাষ্যমতে, ঘর থেকে ৬ ভরি স্বর্ণ, নগদ ৬০ হাজার টাকা ও দুটি মোবাইল সেট লুট করে নিয়ে যায় ডাকাতরা।

পরে ডাকাতরা চলে গিয়েছে বুঝতে পেরে নজরুলের স্ত্রী শাহনাজ জোরে চিৎকার করলে আশেপাশের বাড়ির লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে তাদের উদ্ধার করে এবং ডাকাতদের ধরতে স্থানীয় মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিলে গ্রামবাসী বাহির হয়ে একই এলাকার হাশেমের ছেলে উজ্জলকে আটক করে। শাহনাজের ভাষ্যমতে, ওই ঘটনার সাথে স্থানীয় ভাড়াটিয়া দেলোয়ার এবং আরাফাত নামে অপর দুইজনকে চিনতে পেরেছেন। 

স্থানীয়রা জানান, নিহতের শরীরের গলা, বুকের ডান পাশে এবং বাহুর পেশির স্থানে কিছুটা চামড়া উঠানো দেখতে পান। দেখতে অনেকটা সরু ছিদ্র হওয়ার মতো। 

নিহতের ঘটনা স্বীকার করে সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে। একজন আটক আছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আহত শাহনাজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। নিহতের লাশ জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

এ ব্যাপারে জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারেক সাঈদ জানান, এটা কি ডাকাতি না-কি অন্য কিছু তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্ত শেষে মুল ঘটনা বলা সম্ভব। 



সোনারগাঁও দর্পণ :

জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠন সারজিস আলমকে অভিশাপ দিয়েছেন দলটির (এনসিপি)’র সাবেক নেত্রী নিলা ইসরাফিল। বুধবার (১৩ মে) বিকাল ৩টার দিকে তার নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ “নিলা ইস্রাফিল” এনসিপিকে একদিন বিরোধী দল হিসেবেও মেনে নিবেনা বলে লিখেন। 

যদিও এমন মন্তব্যের প্রায় ৩ ঘন্টা পর তিনি তার লেখাটি কোন মন্তব্য নয় জানিয়ে তিনি লিখেন , “আমি কি আলেম-ওলামা যে অভিশাপ দেব? আমি তো মিষ্টি মেয়ে.....বড় বইন হিসাবে আমি শুধু রাস্তা দেখিয়েছি, অভিশাপ দিইনি। ওরা যে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে সেটা আমার দোয়া না, তাদের কর্মের অনিবার্য পরিণতি। কথাটা বলেছি নিখাদ বাস্তবতার নিরিখে!

সোনারগাঁও দর্পণ এর পাঠক ও শুভানুধ্যায়িদের জন্য নিলা ইসরাফিলের পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হলো।

প্রিয় Md Sarjis Alam,
তোরা এখন বিরোধী দলে আছিস। কিন্তু মনে রাখিস, বিরোধী দল হিসাবেও তোদেরকে বাংলাদেশের মানুষ মেনে নিবে না। তোরা নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবি বাংলাদেশ থেকে. ....
বাস্তবতা মেনে নাও রাজনীতিতে অবস্থান বদলায়, কিন্তু জনগণের রায়ই শেষ কথা। বিরোধী দলে আছো এটাই বিশাল ব্যাপার , কিন্তু জনগণের আস্থা অর্জন করাই এখন তোমাদের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
Bangladesh Awami League ফিরবে কি ফিরবে না, সেটা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করবে। কিন্তু তোরা থাকবি কি থাকবি না সেটা নিয়ে চিন্তা কর।
তোমরা রাজনৈতিকভাবে কতটা টিকে থাকতে পারবা , সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে হবে এখনই। কারণ জনসমর্থন ছাড়া কোনো রাজনৈতিক শক্তির ভিত্তি টেকে না।
সময়ের সংকেত স্পষ্ট জনগণ দেখছে, বিচার করছে, এবং মনে রাখছে। রাজনৈতিক উত্থান যেমন বাস্তব, পতনও তেমন বাস্তব আর সেই হিসাব শেষ পর্যন্ত জনগণই মেলায়।
তোদের পতনের কাউন্টডাউন অনেক আগেই শুরু হয়েছে। এখন শুধু তার ধ্বনি আরও স্পষ্ট শোনা যাচ্ছে। প্রতিটি ভুল সিদ্ধান্ত, প্রতিটি বিভ্রান্তিকর অবস্থান, সেই পতনকে আরও ত্বরান্বিত করছে।
এখন হুঁশিয়ার হওয়ার সময়। আত্মসমালোচনা করুন, জনগণের কাছে জবাব দিন, এবং মনে রাখুন বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেষ শব্দ ক্ষমতা নয়, জনগণই বলে।


সোনারগাঁও দর্পণ : 

দেশের বিদ্যুৎপল্লী অঞ্চল খ্যাত সোনারগাঁওয়ের মেঘনা শিল্পাঞ্চলের পাশে অবস্থিত মেঘনা ঘাট ৭১৮ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল পাওয়ার প্ল্যান্টের “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনে ভয়াবহ গ্যাস বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বিষ্ফোরণে বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত কমপক্ষে ১২ শ্রমিক দগ্ধ হয়েছে। দগ্ধদের ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউট এ পাঠানা হয়েছে। বুধবার (১৩ মে) দুপুর ১টার দিকে রান্না ঘরের গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে সৃষ্ট এই বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। 

প্রত্যক্ষদর্শী ও নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিদ্যুৎকেন্দ্রে কর্মরত শ্রমিক সূত্রে জানা গেছে, দুপুরের খাবারের জন “জারা মেঘনাঘাট পাওয়ার লিমিটেড’র ক্যান্টিনে প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা ভিড় করে।  এ সময় হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটলে মুহূর্তেই পুরো ক্যান্টিনে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। এতে মনির হোসেন, নাজমুল শেখ, সাইফুল ইসলাম, রামিজুল, তুহিন শেখ, ওসমান গনি, সুপ্রভাত ঘোষ, বদরুল হায়দার, আমির হোসেন, শঙ্কর, কাউসার ও আল-আমিন দগ্ধ হয়।

আহতদের উদ্ধার করে রাজধানীর শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠানো হয়েছে।

বিদ্যুৎকেন্দ্রের সেফটি কর্মকর্তা ফখরুল ইসলাম জানান রান্নার পর চুলা সঠিকভাবে না নেভানোর কারণে দীর্ঘক্ষণ গ্যাস জমে থাকার পর নতুন করে আগুন ধরাতে গেলে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে বিস্ফোরণের প্রকৃত কারণ উদঘাটনে ফায়ার সার্ভিস কাজ করছে।

এদিকে, ঘটনার পর ঘটনাস্থলে সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে বিদ্যুৎকেন্দ্রের নিরাপত্তা কর্মীরা সাংবাদিকদের ভেতরে প্রবেশে বাধা প্রদান করেন এবং তথ্য দিতে অস্বীকৃতি জানান। এ নিয়ে স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয়।

সোনারগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার জানান, আমরা সংবাদ পাওয়ার পরপরই ঘটনাস্থলে যাই। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, রান্নার কক্ষে জমে থাকা গ্যাস থেকে এই বিস্ফোরণের সূত্রপাত হতে পারে। ঘটনার সময় সেখানে কর্মরত বেশ কয়েকজন শ্রমিক দগ্ধ ও আহত হয়েছেন। তাদের দ্রুত উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কোনো নিহতের খবর পাওয়া যায়নি। আমরা পুরো বিষয়টি খতিয়ে দেখছি এবং প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনো ঘাটতি ছিল কি না তাও তদন্ত করা হবে।

ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক ওসমান গনী জানান, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে “ক্যান্টিনের রান্নাঘরে পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন বা বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা না থাকায় গ্যাস বের হতে পারেনি, যা বিস্ফোরণের তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে”।

আমরা প্রাথমিকভাবে ধারণা করছি, বদ্ধ জায়গায় গ্যাস লিকেজ হয়ে জমে থাকার কারণেই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে। রান্নাঘরের নিরাপত্তা ব্যবস্থার কোনো ত্রুটি ছিল কি-না, তা আমরা গুরুত্ব দিয়ে খতিয়ে দেখছি। পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শেষে বিস্তারিত জানানো সম্ভব হবে।



সোনারগাঁও দর্পণ :

মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে 'জিরো টলারেন্স' ঘোষণা করে নারায়ণগঞ্জ-৩ ( সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান বলেছেন, যুব সমাজকে রক্ষায় মাদক কারবারিদের বিষয়ে কোন ছাড় দেওয়া হবে না।

সোমবার (১১ মে) সকালে সোনারগাঁও উপজেলা সভাকক্ষে আয়োজিত আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ ঘোষণা দেন। 

তিনি বলেন, একটি নিরাপদ ও সন্ত্রাসমুক্ত সোনারগাঁও গড়তে প্রশাসনকে সব ধরনের রাজনৈতিক সহযোগিতা করা হবে। তিনি বলেন, আমরা সোনারগাঁওকে একটি আধুনিক ও পরিকল্পিত উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। তাই জনগণের প্রত্যাশা পূরণে প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

সমাজের তৃণমূল পর্যায়ে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং দীর্ঘসূত্রিতা কমিয়ে দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে গ্রাম আদালত ব্যবস্থা পুনরায় সচল করার ওপর জোর দিয়ে মান্নান বলেন, সরকার গ্রাম আদালতের মাধ্যমে মানুষের মধ্যকার সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করতে চায়। তিনি বলেন, গ্রাম আদালতের মাধ্যমে ছোটখাটো বিরোধ স্থানীয়ভাবে মিমাংসা হয়। ফলে সাধারণ মানুষকে আইনি হয়রানি ও দীর্ঘ ভোগান্তি পোহাতে হয় না। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এই কার্যকর ব্যবস্থা চালু করেছিলেন, যা পরবর্তীতে অবহেলার শিকার হয়। ফলে সমাজে অপরাধ ও বিশৃঙ্খলা বৃদ্ধির সুযোগ তৈরি হয়েছিল।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আসিফ আল জিনাতের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপজেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তা, কাঁচাবাজার ব্যবস্থাপনা ও জনসচেতনতা বৃদ্ধি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য, সাংবাদিক ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


সোনরাগাঁও দর্পণ : 

সোনারগাঁওয়ে একই রাতে দুই বাড়িতে ডাকাতি পরবর্তী স্থানীয় যুবদল সভাপতির বাড়িতে ডাকাতদলের অগ্নিসংযোগের ঘটনার ৫ দিন অতিবাহিত হলেও কোন আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষুব্দ গ্রামবাসী আইন নিজের হাতে তুলে নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। 

সোমবার (১১ মে) বিকালে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের পাঁচআনী ও চরগেয়ালদী মীর বহরকান্দী গ্রামের ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য ও স্থানীয়রা এ ঘোষণা দেন। 

স্থানীয় সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার বিকালে সরেজমিনে ইউনিয়নের চরগোয়ালদী শফিকুলের বাজার এলাকা গেলে স্থানীয়রা জানায়, গত ৭ মে রাত আনুমানিক ১১টার দিকে চরগেয়ালদী মীর বহরকান্দী গ্রামের মৃত শফিকুলের তিন ছেলে রানা (৪৫), রাজু (৩৮) ও রাজিব (৩৬) এবং হযরত আলীর ছেলে জলিল ওরফে দালাল জলিল (৫৫) এর নেতৃত্বে বিভিন্ন এলাকার ৩০ থেকে ৪০ জনের একটি সংঘবদ্ধ ডাকাত দল দেশীয় এবং আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে একই এলাকার আলিম মিয়ার ছেলে প্রবাসী আবু কালামের বাড়িতে প্রথম হামলা করে। 

বাড়ির নারীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে সাত ভরি স্বর্ণ, দুই লাখ নগদ টাকা. ৫টি মোবাইল, একটি ল্যাপটবসহ বিভিন্ন দামি জিনিস পত্র নিয়ে যায়। এ সময় বাড়িতে পর্যাপ্ত বয়সের কোন পুরুষ না থাকার সুযোগে ডাকাত দল নারীদের শ্লীলতাহানিরও চেষ্টা করে বলে নারীরা অভিযোগ করে। 

পরে একই এলাকার রমিজের বাড়িতে স্বসস্ত্র ডাকাত দল হামলা করে নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে যায়। 

এদিকে, একই গ্রামে পরপর দুটি বাড়িতে ডাকাতি করে চলে যাওয়ার সময় রাত আনুমানিক ১২টার দিকে পাশর্^বর্তী চরগোরালদী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি শহিদুল্লাহ সরকারের বাড়িতে হামলা করে ডাকাতরা। 

এ সময় সরকার বাড়ি ও গ্রামের লোকজন টেরে পেয়ে ডাকাত-ডাকাত বলে চিৎকার শুরু করলে ডাকাতদল পালিয়ে যায়। যাওয়ার সময় শহিদুল্লার বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করে ডাকাতরা। 

চরগোয়ালদী গ্রামের বাসিন্দা ও স্থানীয় ওয়ার্ড যুবদল সভাপতি শহিদুল্লাহ সরকার বলেন, ডাকাতির পর ভুক্তভোগী পরিবার থেকে থানায় অভিযোগ করে। পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে এবং দ্রুততম সময়ে আসামীদের আইনের আওতায় আনার প্রতিশ্রুতি দেয়। কিন্তু আসামী ও তার সহযোগিরা এলাকায় ঘোরাফেরা করলেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার করছে না। 

এদিকে আসামীদের গ্রেফতার না করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছে এলাকাবাসী জানান, আবারো কোন পরিবার ডাকাতির কবলে পরার আগে গ্রামবাসী ডাকাত বা তাদের সহযোগিদের পেলে নিজেরাই আইন হাতে তুলে নিবেন বলে হুমকী দেন। 

তাদের দাবি, পুলিশ ভয়ে অভিযান করছেনা ফলে ডাকাতদের ধরছেনা। যেহেতু পুলিশ ভয়ে আসেনা, সেহেতু আমাদের নিরাপত্তার ব্যবস্থা আমাদেরই করতে হবে। তাই এলাকাবাসী সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ আর ডাকাতদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ হয়েছে।

গ্রামবাসীরা জানায়, শুধু রানা বা তার ভাইরাই নয়, রানার স্ত্রী এলাকায় লেডী গুন্ডা হিসেবে পরিচিত। এই মহিলা রানাকে এলাকার সবচেয়ে বড় গুন্ডা আখ্যাদিয়ে তাকে কোন থানা পুলিশ বা এলাকার কেউ কিছু করতে পারবেনা বলে দাবি করে। 

এ ব্যাপারে সোনারগাঁও থানায় সদ্য (১ মে ২০২৬ ইং) যোগদানকারী অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোলাম সারোয়ার বলেন, এ ব্যাপারে থানায় কোন লিখিত অভিযোগ পাইনি। তাই কিছু বলতে পারছিনা।

ডাকাতির ঘটনার পর থানায় অভিযোগ করা হয়েছে এবং একজন এসআই (এস আই হারুন) ঘটনাস্থলেও গিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবারের এমন দাবির কথা পূণরায় জানালে তিনি পরক্ষণে আবারও দাবি করেন, থানায় কোন লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়নি। 



সোনারগাঁও দর্পণ : 

নারায়ণগঞ্জ -৩ (সোনারগাঁও) আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক(৮১) মারা গেছেন। (ইন্না-লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। 


সোনারগাঁও পৌরসভার গোয়ালদী গ্রামের কৃতি সন্তান এ বর্ষিয়ান রাজনীতিবিদ ও বিশিষ্ট সমাজসেবক গতকাল  শুক্রবার সকাল ৮. ১০ মিনিটে ঢাকাস্থ নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন।


তিনি নারায়ণগঞ্জ -৩ (সোনারগাঁও)  আসনে ১৯৮৮ সাল থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত জাতীয় পার্টির  সংসদ সদস্য ছিলেন। পাশাপাশি তিনি  নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের  চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ২০০১ সালে তিনি আওয়ামী লীগের মনোনয়ন পেয়ে নারায়ণগঞ্জ -৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য পদে নির্বাচন করেন।


আবু নূর মোহাম্মদ বাহাউল হক সাহেবের প্রথম জানাজার নামাজ গতকাল শুক্রবার বাদ জুমা বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং বাদ আসর সোনারগাঁওয়ের গোয়ালদী নিজ গ্রামে দ্বিতীয় জানাজার নামাজ শেষে তাঁর প্রতিষ্ঠিত বাহাউল হক একাডেমি প্রাঙ্গণে দাফন করা হয়। 


বাহাউল হক রাজনীতির পাশাপাশি শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও সমাজ সেবামূলক কাজে নিয়োজিত ছিলেন।


তিনি হাই স্কুল, কারিগরি কলেজ, মা ও শিশু হাসপাতাল, নার্সি কলেজ, চক্ষু হাসপাতাল, কিডনি সেবা কেন্দ্রসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন।


স্থানীয় অসংখ্য মসজিদ, মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন তিনি।


তাঁর মৃত্যুতে নারায়ণগঞ্জ -৩ আসনের  সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান, সাবেক সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল কায়সার, সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকা, সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাহফুজুর রহমান কালাম ও পিরোজপুর  ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মাসুদুর রহমান মাসুমসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠন এর নেতৃবৃন্দ শোক প্রকাশ করে তার রুহের মাগফেরাত কামনা করেন। 

 


সোনারগাঁও দর্পণ :

“সোনারগাঁও ওয়ল ফেয়ার ইউকে লিমিটেড” এর উদ্যোগে গরীব ও দুস্থ্যদের মধ্যে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে। শনিবার (১৪ মার্চ) সকালে উপজেলার মোগরাপাড়া ইউনিয়নের মোগরাপাড়া পুরান বাজার এলাকায় এ খাদ্য পণ্য বিতরণ করা হয়।

সংগঠনটির সভাপতি মামুন কবির ও সাধারণ সম্পাদক কামরুল কবিরের উদ্যোগে খাদ্য পণ্য বিতরণ অনুষ্ঠানে মোগরাপাড়া বাজার কমিটির সভাপতি মোস্তফা কামাল বাবুল, ব্যবসায়ী মুকুল, ব্যবসায়ী মোহাম্মদ কামাল, মাসুম মোল্লা, মিরাজ কবির প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের ৭শত পরিবারের মধ্যে প্রতি পরিবারকে দশ কেজি করে চাল তুলে দেওয়া হয়।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget