Halloween Costume ideas 2015

সোনারগাঁও দর্পণ

সর্বশেষ পোস্ট
অপরাধ অর্থ ও বাণিজ্য আওয়ামী লীগ আড়াইহাজার আদালত আন্তর্জাতিক উত্তরা পূর্ব থানা কাঁচপুর কুমিল্লা খেলাধুলা গজারিয়া গণমাধ্যম গাজীপুর চট্টগ্রাম জাতীয় জামপুর জামায়াত ঢাকা তথ্যপ্রযুক্তি থানা প্রশাসন দাউদকান্দি ধর্ম নরসিংদী নারায়ণগঞ্জ নোয়াখালী নোয়াগাও পর্যটন ও পরিবেশ পিরোজপুর পৌরসভা ফতুল্লা বন্দর বরগুনা বারদী বিএনপি বিনোদন বৈদ্যের বাজার ভারত ভুলতা মুন্সিগঞ্জ মোগরাপাড়া রাজনীতি রাজনীতি. রাজনীতি. বিএনপি রাজনীতি.মোগরাপাড়া রাজশাহী রূপগঞ্জ র‌্যাব র‌্যাব-11 শম্ভুপুরা শিক্ষা শিক্ষা ও সংস্কৃতি শিবির সন্মান্দি সংস্কৃতি সাদীপুর সাভার সারাদেশ সিদ্ধিরগঞ্জ সিভিল প্রশাসন সিলেট সেনা সোনারগাঁও স্বাস্থ্য কথা হাইওয়ে পুলিশ


সোনারগাঁও দর্পণ : 

দলের নির্দেশ অমান্য করায় অবশেষে বহিস্কার হলেন বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সোনারগাঁও আসনের বিএনপির সাবেক সাংসদ এবং প্রতিমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ-৩ (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (ঘোড়া প্রতিক) অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজাউল করিম।

এছাড়াও নারায়ণগঞ্জ - ১ (রূপগঞ্জ) আসনের মো: দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ - ২ (আড়াইহাজার) আসনের মো: আতাউর রহমান আঙ্গুরকেও বহিস্কার করা হয়েছে।

বুধবার (২১ জানুয়ারী) রাতে দলটির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বহিস্কারাদেশের সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, দলীয় নীতি, আদর্শ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থি কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার জন্য নিন্মেবর্ণিত নেতৃবৃন্দকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সকল পর্যায়ের পদ থেকে বহিস্কার করা হলো।

বিজ্ঞপ্তিতে মোট ১০ টি বিভাগের মোট ৫৯ জনের নাম উল্লেখ করা হয়। যেখানে রংপুর বিভাগের ৩ জন, রাজশাহী বিভাগের ৮জন, খুলনা বিভাগের ৬ জন, বরিশাল বিভাগের ২ জন, ঢাকা বিভাগের ৯ জন, ময়মনসিংহ বিভাগের ৭ জন, ফরিদপুরের ৭ জন, সিলেটের ৫ জন, কুমিল্লার ৬ জন ও চট্টগ্রামের ৬ জন।

ঢাকা বিভাগের মধ্যে নারায়ণগঞ্জের ৩ জন। তারা হলেন, নারায়ণগঞ্জ - ১ (রূপগঞ্জ) আসনের মো: দুলাল হোসেন, নারায়ণগঞ্জ - ২ (আড়াইহাজার) আসনের মো: আতাউর রহমান আঙ্গুর এবং নারাংণগঞ্জ - ৩ ( সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) আসনের অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজাউল করিম। 

এরআগে,  দলের নির্দেশ অমান্য করে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিদ্রোহী প্রার্থী হওয়ায় ১১ জনকে বহিস্কার করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে ২ জন মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করায় বহিস্কারাদেশও প্রত্যাহার করা হয়।



সোনারগাঁও দর্পণ :

নানা নাটকীয়তার পর নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে (সোনারগাঁও-সিদ্ধিরগঞ্জ) জামায়াত মনোনীত প্রার্থী প্রিন্সিপাল ডঃ ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়ার প্রার্থীতা বহাল রয়েছে। নেতা-কর্মীদের তোপের মুখে অবরুদ্ধ থাকায় নির্ধারিত সময়ে মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহারের শেষ দিনে প্রত্যাহার আবেদন জমা করতে না পারায় তার প্রত্যাহার পত্র গ্রহণ করেনি নির্বাচন কমিশন।

জামায়াত জোটের সমীকরণ ও  হিসেব নিকাশে ড. ইকবালের প্রার্থীতা নিয়ে সংশয় ছিল পুরোটা সময়। প্রথমে ১১ দলে জোট থাকাকালীন জোটের অন্যতম শরিক ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থীকে এই আসনটি ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে অনেক গুঞ্জন ছিল। পরে ইসলামী আন্দোলন জোট থেকে বেরিয়ে গেলে আসনের দিকে চোখ পড়ে খেলাফত মজলিস, খেলাফত আন্দোলনসহ অন্যান্য জোট সঙ্গীদের। 

তবে সাংগঠনিকভাবে অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী অবস্থানে থাকা জামায়াতের নেতা-কর্মীরা আসনটি ধরে রাখতে বরাবরই আত্মবিশ^াসী ছিল।

এরআগে, ১০ দলীয় জোটের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সোনারগাঁও -সিদ্ধিরগঞ্জ আসন শরিকদের ছেড়ে দেওয়া হতে পারে এমন গুঞ্জনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন সকাল থেকেই ইকবাল হোসাইন ভূইয়ার বাড়িতে অবস্থান নেয় নেতা-কর্মীরা। জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী জামায়াতে ইসলামীর হাইকমান্ড থেকে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে ইকবাল হোসাইন ভূইয়াকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে বলা হয়। সে মোতাবেক ড. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া জেলা আমির মাওলানা মমিনুল হক সরকারের নিকট মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারও করেন। তবে প্রত্যাহারের আবেদন নিয়ে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে যাওয়ার পথে ড. ইকবাল হোসাইন ভূঁইয়াকে অবরুদ্ধ করে স্থানীয় নেতা-কর্মীরা। জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের কাছাকাছি তার আইনজীবীর কক্ষে অবরুদ্ধ করে তালা লাগিয়ে দেন তারা। একপর্যায়ে মাগরিবের নামাজের সময় তালা খুলে দিলে তিনি (জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে) নির্বাচন কমিশনের কাছে প্রত্যাহারের আবেদন নিয়ে গেলে নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় সেটি গ্রহণ করতে অপারগতা প্রকাশ করেন জেলা রিটার্নিং অফিসার রায়হান কবির।

এ ব্যাপারে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ও রিটার্নিং অফিসার রায়হান কবির বলেন, ড. ইকবাল হোসাইন ভূইয়া মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে এসেছিলেন বিকেল পাচটার পর। নির্ধারিত সময় অতিক্রান্ত হওয়ায় আবেদনটি গ্রহন করতে পারিনি।



সোনারগাঁও দর্পণ :

সোনারগাঁওয়ের পৌরসভা এলাকায় অন্যের বাড়ির চলাচলের রাস্তা বন্ধ করে ভবন নির্মাণের অভিযোগ রয়েছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী শাহ আলম ও সাদেকুর রহমান গত ১৮ জানুয়ারী সোনারগাঁও থানায় রাস্তা উদ্ধারে সহায়তা চেয়ে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানাগেছে, সোনারগাঁও পৌরসভার পৌর ভবনাথপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহ আলম ও সাদেকুর রহমান সিএস ও এসএ ভবনাথপুর মৌজায় এবং আর এস চৌদানা মৌজায় এসএ ৭৩, আর,এস ৪৬৩ দাগে ৭ শতাংশ এবং ৫ শতাংশ ৭০ জমি ক্রয় করে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করছে। এদিকে অভিযোগকারীদের বাড়িতে যাতায়াতের সড়ক বন্ধ করে নতুন ভবন নির্মাণ কাজ করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের নেতা আতাউর রহমান আতাউর। এমতাবস্থায় অভিযোগকারীরা এতে বাঁধা দিলে আতাউর সন্ত্রাসী দিয়ে বিভিন্ন হুমকি দেয়। এ নিয়ে স্থানীয় এলাকায় আওয়ামী লীগ নেতা আতাউরের কর্মকাণ্ড নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে। স্থানীয়দের মতে, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আওয়ামী লীগ নেতারা যখন পুলিশের ভয়ে এলাকা ছাড়া, তখন বৈষম্য বিরোধী আন্দোলনের হত্যা মামলা মাথায় নিয়ে তার কর্মকাণ্ড রীতিমতো ভাবিয়ে তুলছে। শুধু জোর করে রাস্তা বন্ধ করে বাড়ি নির্মাণই নয়, আসন্ন নির্বাচনে নির্বাচনী পরিবেশ অস্বাভাবিক করতে তার মতো নেতাই যথেষ্ট। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) রাশেদুল হাসান খান জানান, এমন একটা অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে একজন অফিসার যান। কাজ বন্ধ রেখে উভয় পক্ষকে সামাজিকভাবে বিষয়টি মিমাংসা করতে বলা হয়েছে। সামাজিকভাবে  মিমাংসা না হলে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



সোনারগাঁও দর্পণ :

সোহেল নামে সোনারগাঁওয়ে এক প্রতিবন্ধী অটোচালকের স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে সোনারগাঁও থানা পুলিশের তালতলা তদন্ত কেন্দ্র পুলিশ। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারী) ভোরে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার মুছারচর এলাকা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করে। নিহত সোহেল উপজেলার সাদীপুর ইউনিয়নের পশ্চিমপাড়া গ্রামের হাবিবুর রহমান হাবিবের ছেলে। বিবাহিত জীবনে তার স্ত্রী ও দুইটি মেয়ে রয়েছে। 

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, জীবিকার তাগিদে প্রতিদিনের মতো সোমবার দুপুরে অটোগাড়ী নিয়ে বের হয়ে আর বাড়ি ফিরেনি। সকালে স্থানীয় এলাকাবাসীর ফোনে জানতে পেরে মুছার চর উত্তর পাড়া এলাকায় রাস্তার ঢাল থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। নিহতের শরীর স্কচটেপ দিয়ে মোড়ানো ছিল। ধারণা করা হচ্ছে অজ্ঞাত দুষ্কৃতিকারীরা সোহেলকে হত্যা করে রাস্তার পাশে ফেলে রেখে গিয়েছে। 

স্থানীয়রা জানায়, সোহেলের মৃত্যু খবর পাওয়ার পর নিহতের পর স্ত্রী রাজিয়া আক্তার তাদের দুই মেয়ে লামিয়া (১৫) ও সারাইয়ার ভবিষ্যত চিন্তায় বারবার মুর্ছে যান। 

সোনারগাঁও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুহিবুল্লাহ জানান, ঘটনাস্থলে থেকে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে ইতোমধ্যে পুলিশ তার কার্যক্রম শুরু করেছে।





সোনারগাঁও দর্পণ :

আওয়ামী শাসনামলে নারায়ণগঞ্জের আতঙ্ক আজমেরী ওসমানের ঘনিষ্ট সহচর সোনারগাঁওয়ের হাবিবুর রহমান শাকিল (৩২) ও বন্দরের লক্ষণখোলা এলাকার চিশতী বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন ও এক রাউন্ড গুলিসহ আটক হয়েছে। কুমিল্লার ইলিয়টগঞ্জ থানা পুলিশের এক বিশেষ অভিযানে সোমবার রাত আনুমানিক সোয়া ৮টার দিকে ঢাকাগামী এশিয়া এয়ারকন যাত্রীবাহী বাসে তল্লাসীর সময় মাধাইয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়।

আটককৃতদের মধ্যে শাকিল নারায়ণগঞ্জ জেলার সোনারগাঁও উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের মনারকান্দী গ্রামের তেল ব্যবসায়ী বাবুল মিয়ার ছেলে। অপরদিকে, আটককৃত চিশতি বন্দর উপজেলার দক্ষিণখোলা (লক্ষণখোলা) গ্রামের গোলজার হোসেনের ছেলে। 


ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশ সূত্রে জানাযায়, সোমবার (১৯ জানুয়ারী) সন্ধ্যা ৭টার দিকে ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রুহুল আমিনের নেতৃত্বে কুমিল্লার চান্দিনা এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের মাধাইয়া নামক স্থানে ঢাকাগামী গামী লেনে চেকপোষ্ট বসানো হয়। 

রাত সোয়া ৮টার দিকে বিভিন্ন যানবাহনে পুলিশি তল্লাশির সময় কুমিল্লা থেকে ঢাকাগামী এশিয়া এয়ারকন এসি যাত্রীবাহী বাস (ঢাকা মেট্রো -ব ১৫- ৬৯৮৬) এর ডি-৩ নম্বর সিটে বসে থাকা শাকিল এবং ডি-৪ নম্বর সিটে বসা চিশতির সিটের উপরে থাকা বাক্সে কাপড়ের একটি শপিং ব্যাগ থেকে একটি বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগজিন ও এক রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ বিষয়ে তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তারা অসংলগ্ন কথা বলতে থাকে। 

পরবর্তিতে তাদের সাথে থাকা মোবাইল ফোন জব্দের পর বিভিন্ন নাম্বার তদন্ত করে অস্ত্র কেনা-বেচা সংক্রান্ত তথ্য পায় পুলিশ। পরে উপস্থিত সাক্ষিদের উপস্থিতিতে তারা অস্ত্র কেনা-বেচার কথা স্বীকার করে এবং উদ্ধার হওয়া অস্ত্র ও ম্যাগজিন বিক্রির উদ্যেশ্যে নারায়ণগঞ্জ নিয়ে যাচ্ছিল বলে জানায়।

ইলিয়টগঞ্জ হাইওয়ে থানা পুলিশের ওসি রুহুল আমিন জানান, তাদেরকে অস্ত্র আইনে মামলা দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী আইনি কার্যক্রম চলছে।



সোনারগাঁও দর্পণ :

শুক্রবার (১৬ জানুয়ারী) রাতে সোনারগাঁওয়ের জামপুর ইউনিয়নের পাকুন্ডা বস্তল এলাকা থেকে ডাকাত সন্দেহে আটক হওয়া ৮ যুবক কোন ডাকাত নয় বা ডাকাত দলের কোন সদস্যও নয় বলে জানিয়েছে সোনারগাঁও থানা পুলিশ। আটককৃতরা কারখানার শ্রমিক বলে জানিয়েছেন সোনারগাঁও থানা পুলিশ।

শনিবার (১৭ জানুয়ারী) দুপুরে ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে আটকদেরকে নিজের প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক পরিচয় দিয়ে লিখিতভাবে নিজ দায়িত্বে নেওয়ার পর এ তথ্য জানান সোনারগাঁও থানা পুলিশের তদন্ত ওসি মো: রাশেদুল হাসান খান।


তিনি জানান, শুক্রবার রাতে জামপুর ইউনিয়নের পাকুন্ড শিংলাব এলাকা থেকে আব্দুল্লাহ (২৫), হৃদয় বিশ্বাস (২০), সাগর (২৩) , শিপন (১৮), জাকির হোসেন (২৫), জিতেন্দ্র বর্মণ (২১), মহারাজ মিয়া (২০) এবং মিন্টু (২০)’কে স্থানীয় জনতা ডাকাত সন্দেহে গণপিটুনি দিয়ে আহত করে। খবরপেয়ে, সোনারগাঁও থানা পুলিশের তালতলা তদন্ত কেন্দ্রের পুলিশ সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে অনেক চেষ্টার পর জনগণের রোষানল থেকে উদ্ধার করে সোনারগাঁও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেন। পরে রূপগঞ্জ উপজেলার কর্ণগোপ এলাকায় অবস্থিত ইউনাটেড প্লাস্টিক উড ইন্ডাস্ট্রিজ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মশিউর রহমান থানায় এসে আটককৃতরা তার প্রতিষ্ঠানের শ্রমিক পরিচয় নিশ্চিত করেন এবং আটককৃতরা কোন ডাকাত বা খারাপ লোক নয়। তারা কখনো কোন অপরাধের সাথেও জড়িত ছিলনা মর্মে লিখিতভাবে জানালে তার জিম্মায় আটককৃতদের ছেড়ে দেওয়া হয়। 

তিনি আরও জানান, শুক্রবার ছুটির দিন হওয়ায় তারা পেরাব এলাকায় ঘুরতে আসে। রাত হয়ে যাওয়ায় তারা পায়ে হেঁটে যাওয়ার সময় শিংলাব এলাকায় স্থানীয়রা ডাকাত সন্দেহে তাদের আটক করে গণপিটুনি দেয়।



সোনারগাঁও দর্পণ :

বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অন্যতম পুরোধা হিসাবে আখ্যায়িত করে নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের বিএনপি মনোনীত একাধিকবরের সাবেক সাংসদ ও প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মো: রেজাউল করিম বলেছেন, দেশের বর্তমান ক্রান্তিলগ্নে বেগম খালেদা জিয়ার খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। 

শনিবার (১৭ জানুয়ারী) বিকালে নারায়ণগঞ্জের শম্ভুপুরা ইউনিয়নের রামগোবিন্দগাঁও গ্রামে বিএনপির সদ্য প্রয়াত চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় আয়োজিত দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। 

শিল্পপতি ও সিআইপি বজলুর রহমানের সভাপতিত্বে তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রের আপোষহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া যত বেশি নির্যাতিত হয়েছেন, ততো বেশি আপোষহীন হয়ে উঠেছিলেন। তিনি সারাজীবন দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় নিস্বার্থভাবে কাজ করে গেছেন।

শেখ হাসিনা দেশের গণতন্ত্রকে গলাটিপে হত্যা করেছেন। আর বেগম খালেদা জিয়াকে দমাতে যতরকম নির্যাতন আছে প্রয়োগ করেছেন কিন্তু বেগম জিয়া দমে যাননি। এখন দেশের মানুষ তার শুন্যতা  অনুভব করছে। দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে বেগম খালেদা জিয়ার খুব বেশি প্রয়োজন ছিল। 

অনুষ্ঠানে সোনারগাঁও পৌর বিএনপি’র সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির রফিক, পৌর যুবদলের সাবেক সভাপতি ও সাবেক কাউন্সিলর আহমেদ তপন বক্তব্য রাখেন।

এছাড়াও উপজেলা বিএনপি’র বিভিন্ন অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মী, সমর্থক, শুভাকাঙ্খি, মাদ্রাসা শিক্ষকসহ বিভিন্ন শ্রেণী পেশার লোক উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা শেষে সদ্য প্রয়াত বিএনপির সাবেক চেয়ারাপর্সন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনা করা হয়। পাশাপাশি বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকো রুহের মাগফিরাতও কামনা করা হয়।  


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget